A Reliable Media

পরাজয় মেনে নিতে ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান ঘনিষ্ঠ মিত্রের

পরাজয় মেনে নিতে ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান ঘনিষ্ঠ মিত্রের

অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনের ফল মেনে নিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তার খুবই ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত সাবেক নিউ জার্সি গভর্নর ক্রিস ক্রিস্টি।

বিবিসি জানায়, নির্বাচনের ফল পাল্টানোর জন্য ট্রাম্প এখনো যেসব চেষ্টা চালাচ্ছেন, তা বন্ধ করে জো বাইডেনের কাছে হার স্বীকার করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

একই সঙ্গে প্রেসিডেন্টের আইনজীবীদের দলকে তিনি ‘জাতীয় পর্যায়ের কলঙ্ক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন ক্রিস ক্রিস্টি।

এবিসি টিভি চ্যানেলের এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘যদি খোলাখুলি বলি- তাহলে ট্রাম্পের আইনজীবীরা যা করছেন তা একদম জাতীয় পর্যায়ের বিব্রতকর কার্যকলাপ।’

এই ট্রাম্প মিত্র বলেন, ‘কোর্ট রুমের বাইরে সারাক্ষণ নির্বাচনে জালিয়াতির কথা বলে যাচ্ছে ট্রাম্পের দল। কিন্তু কোর্ট রুমের ভেতরে তারা জালিয়াতির যুক্তি দেখাচ্ছে না।’

‘আমি অনেক দিন ধরে প্রেসিডেন্টের সমর্থক। তাকে আমি দুইবার ভোট দিয়েছি। কিন্তু যা ঘটেনি তবুও অনবরত সেটাই ঘটেছে বলে যেতে পারি না আমরা’ যোগ করেন তিনি।

গত ২০১৬ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে প্রথম যে গভর্নর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছিলেন তিনি এই ক্রিস ক্রিস্টি। এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের যেসব বিতর্ক আয়োজিত হয়েছে তাতে ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রস্তুতি নিতেও তিনি সহায়তা করেছেন।

বিশেষ করে আইনজীবী সিডনি পাওয়েলের কড়া সমালোচনা করে ক্রিস ক্রিস্টি বলেন, ইলেকট্রনিক পদ্ধতির ভোটের মাধ্যমে লাখ লাখ ভোট বাইডেনের পক্ষে বদলে দেওয়া হয়েছে বলছেন পাওয়েল, কিন্তু যার পক্ষে কোনো যুক্তি তিনি দেখাতে পারেননি। তিনি আরও বলেছেন জো বাইডেন ‘কমিউনিস্টদের টাকায় জিতেছেন’।

অবশ্য রবিবার ট্রাম্পের দল এক বিবৃতিতে সিডনি পাওয়েল তাদের সঙ্গে কাজ করছেন না এমন ইঙ্গিত দিয়েছে। যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে এক টুইট বার্তায় সিডনি পাওয়েলকে তার আইনি দলের সদস্য হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।

এছাড়া মেরিল্যান্ডের রিপাবলিকান গভর্নর ল্যারি হোগান সিএনএনকে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেভাবে ভোটের ফল উল্টে দিতে চাচ্ছেন, তাতে যুক্তরাষ্ট্রকে দিনকে দিন এক অরাজক দেশ বলে মনে হচ্ছে।

এক টুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘ট্রাম্পের উচিত এত গল্ফ খেলা বাদ দিয়ে নির্বাচনে হার মেনে নেওয়া।’

প্রতিনিধি পরিষদে মিশিগানের রিপাবলিকান প্রতিনিধি ফ্রেড আপটন বলেছেন, তার অঙ্গরাজ্যের ভোটাররা নিজেদের রায় দিয়েছে।

নর্থ ড্যাকোটার রিপাবলিকান সিনেটর কেভিন ক্রেমার বলেছেন, প্রশাসন হস্তান্তরের সময় পার হয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে ব্যাটলগ্রাউন্ড স্টেট হিসেবে পরিচিত পেনসিলভানিয়াতে ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট বাতিল করার যে মামলা করেছিলেন ট্রাম্প, তা খারিজ করে দিয়েছে আদালত যা ট্রাম্পের যা বড় ধরনের এক ধাক্কা।

বিচারক ম্যাথ্যু ব্র্যান বলেছেন, ‘কতগুলো ভিত্তিহীন আইনি যুক্তিতর্ক তার কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।’

নির্বাচনে জো বাইডেন ৩০৬ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প ২৩২টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেতে যাচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট হতে দরকার হয় ২৭০টি ইলেকটোরাল ভোট।

editor

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *