A Reliable Media

বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে :এরদোয়ান

বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে :এরদোয়ান

অনলাইন ডেস্ক: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান বলেছেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে এবং আগে থেকে নির্ধারিত ২০০ কোটি মার্কিন ডলার বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্র খুব সহজেই অর্জিত হতে পারে।

এ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ দূতাবাস কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করতে তুরস্ক সফর করা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের সাথে নিজের বৈঠকের কথা স্মরণ করে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ওই বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছিল বলে অভিহিত করেছেন।

তুরস্কের সহায়তায় বাংলাদেশে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নিজের দেয়া প্রস্তাবের কথা পুনর্ব্যক্ত করে এরদোয়ান বলেন, তুরস্কের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের কাছে থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার অপেক্ষায় আছে।

বাংলাদেশের প্রশংসা করে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে তুরস্ক অটল সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে পুর্নব্যক্ত করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।

মঙ্গলবার আঙ্কারায় ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানের পর তুরস্কের প্রেসিডেন্টের কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদ মান্নান তার পরিচয়পত্র উপস্থাপন করার সময় এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূতের সাথে এ সময় তার স্ত্রী নুজহাত আমিন মান্নান, মিশনের ডেপুটি চিফ মো. রইস হাসান সরওয়ার এবং প্রতিরক্ষা সংস্থার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. রাশেদ ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।

পরিচয় পর্বের পরে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও রাষ্ট্রদূতের মধ্যে বৈঠক হয়। এতে প্রেসিডেন্টের সিনিয়র উপদেষ্টা ইব্রাহিম কালিন, তুরস্কের যোগাযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক ফাহরেটিন আলতুন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়ার মহাপরিচালক রিজা হাকান তেকিনসহ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন রাষ্ট্রদূত।

তিনি এ সময় ২০২১ সালের মার্চ মাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে ঢাকা সফরে প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণের কথা পুর্নব্যক্ত করেন।

বাণিজ্য, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, পর্যটন ও প্রতিরক্ষার মতো পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার জন্য সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পর্যায়ে আলোচনাতে পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে তা বাস্তবায়নে তুর্কি নেতৃত্ব এবং কর্তৃপক্ষের সমর্থন চান রাষ্ট্রদুত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাস্তববাদী নেতৃত্বে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের অর্জিত সাফল্যের বিষয়ে তুর্কি প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন রাষ্ট্রদূত। এরদোয়ান বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার সম্পর্ক আরও গভীর ও প্রসারিত করতে রাষ্ট্রদূত মাসুদ মান্নানকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দেন।

তারা এ সময় বাংলাদেশ ও তুরস্কের ক্রমবর্ধমান কোভিড পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন।

editor

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *