A Reliable Media

৩য় দিনের মত ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওসমানের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

৩য় দিনের মত ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওসমানের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

ঠাকুরগাঁও: কঠোর লকডাউনে যখন একমুঠো খাবারের জন্য হাহাকার চলছে ঠিক তখন শুরু হয়েছে সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমজান। তিনি ঢাকায় অবস্থান করলেও তার কর্মীরা আজ তৃতীয় দিনের মত (৮ম রমজান) ঠাকুরগাঁও-বালিয়াডাঙ্গী মহাসড়কের ঠাকুরগাঁও চৌরাস্তা, জর্জকোর্ট চত্ত্বর, বড়মাঠ এলাকায় ২শতাধিক মানুষের মাঝে তুলে দিয়েছেন রান্না করা খাবার।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ওসমান গণি মুঠোফোনে জানান, সর্বদা মানুষের জন্য কাজ করছি। তারই ধারাবাহিকতায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে খাবার বিতরণ করি। এই মহামারিতে ২য় দফায় লকডাউন দেওয়া মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তাদের পাশে ক্ষুদ্র পরিসরে সহযোগিতার বাড়িয়ে দেয়েছি। পুরো রমজানজুড়ে গরীব-দুঃখীদের জন্য এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল ফয়সাল ইমরান সাব্বির, উপ-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বী, উপ-পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক সি. এম. সাব্বির হাসান হৃদয়, সাফিন মাহমুদ তূর্য, ছাত্রলীগ নেতা সোহেল, সহ-সম্পাদক রাসেল ইসলাম রিসাদ, আরাফাত হোসেন রাব্বী, তুহিন আহমেদ তন্ময়, নুরুজ্জামান, মো. তিবরিজ বাবু, জাহিদ হাসান, তনু, আল হাবিব, সাকিব প্রমুখ।

উল্লেখ থাকে যে, বাংলাদেশে যখন প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায় তখন থেকেই ছাত্রলীগ নেতা ওসমান বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। শুরুর দিকে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ব্লিচিং পাউডার মিশ্রিত পানি দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগ নেন। বেশিরভাগ সময় দিকনির্দেশনা নয় বরং নিজেই সড়ক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন। জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বিশুদ্ধ পানির ট্যাঙ্কি, হ্যান্ড স্যানিটারাইজার, সাবানের বন্দোবস্ত করেন, নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে ব্লিচিং পাউডার বিতরণ করেন। দোকানের সামনে দূরত্ব চিহ্ন আঁকেন এবং এছাড়াও সাধারণ জনগনের মাঝে সতর্কতামূলক তথ্য প্রচার করেন।

ওসমান গনির দাবির মুখে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মেস মালিক, ছাত্র প্রতিনিধি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (সার্বিক) এক যৌথ বৈঠকে মেসভাড়া ৪০ শতাংশ মওকুফ করা হয়। এছাড়া বৈশ্যিক মহামারী করোনাভাইরাস বিরোধী যুদ্ধে আমাদের মূল ভরসা দায়িত্বরত ডাক্তার, নার্স, ওয়ার্ডবয়, এ্যাম্বুলেন্সের সহকারী, পুলিশ প্রশাসনের পাশেও দাঁড়িয়েছেন তিনি।

editor

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *